My Personal Blog ...

Showing posts with label কবিতা. Show all posts

ঠিক যখন আমার মৃত্যু হল



বিশ্বাস কর, আমার কোন যন্ত্রণা হয়নি
কেউ কেউ কষ্ট বলতে পার, বলতে পার ব্যথা, কাতর অনুভূতি-দহন
কিন্তু আমি বলছি, কিছুই হয়নি আমার
অবশ্য আমার চেতনা ছিল, বলতে পার পূর্ণ সজাগ ছিলাম আমি
আমি সবকিছু ঠিক-ঠাক দেখে গেছি, সময় যে রকম হয় প্রবাহমান

গ্রামগুলো একদিন মরে যাবে...



গ্রামগুলোকে একদিন মরে যেতে হবে
গ্রামগুলো একদিন ঠিকই মরে যাবে আমাদের অবহেলায়
এই তুমি দোষ দেবে আমাকে, আমি তোমাকে, আমরা আমাদেরকে-
তারপরেই ফিরে যাব মৃত গ্রামগুলোতে, যাকে আমরা এখন শহর বলে জানি
এসো, সে শহরের পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে একমিনিট নীরবতার শোক প্রকাশ করি

কৃষ্ণচূড়া এবং একজন সাধারণ পিতা।



প্রিয় কৃষ্ণচূড়া
এক টুকরো জমি আমার, সে জমিতে আজ আধিপত্য দিলাম তোমার
যখন তুমি বেড়ে উঠবে, আর সবাইকে ছাড়িয়ে যাবে আকাশ সীমানায়
তখন তুমি মনে রেখ আমার কথা,
যে তোমাকে একদিন অনেক যত্ন করে লাগিয়েছিল-
আপন দু হাতে তুলে দিয়েছিল বাঁশের বেড়া
আমারও একটি গোপন ইচ্ছা আছে যেন,
আমিও আমার পরিবারকে বলে যাব-
আমার শেষ ঠিকানা যেন এই কৃষ্ণচূড়া গাছের নিচেই হয়
অচেনা মানুষের ভিড়েও অচেনা হতে পারিনি কোনদিন-
শেষ ঠিকানা তাই অচেনা জায়গায় হবে কেন বল


প্রিয় ঘাসফুল এবং প্রজাপতি।


প্রিয় ঘাসফুল এবং প্রজাপতি
আজ তোমাদের নিয়েই লিখতে বসলাম এ কবিতা
আমার তো আর কেউ নেইযাকে নিয়ে একটা কবিতা লিখতে পারি
এই মরুভূমির শহরে বেঁচে থাকার তাগিদে ধুকে ধুকে বেঁচে থাকা জীবন থেকে-
বিদায় নিয়ে চলে গেছে সবাই,
যাকে আমি একটি কবিতা উৎসর্গ করতে পারি

প্রিয় ঘাসফুল
সকালের সোনা রোদ্দুর অথবা
কুয়াশার শিশির বিন্দু গায়ে মেখে তুমি অপেক্ষায় থাক কার জন্য? পথিকের?
তোমাকে মাড়িয়ে সে চলে যাবে-
মানুষ দেবতার পদস্পর্শে আশীর্বাদী করতে চাও নিজেকে?
আমারতো ও পথ ধরে যাওয়া হয় না আজ কতকাল হয়ে গেল
জীবনের কতশত পথ পেড়িয়ে আজ গৃহহারা ভবঘুরে পথিক আমি
কতশত পথের ধূলা জমা হয়ে আছে আমার শতছিন্ন গাত্র চাদরে-
কিন্তু ঘাসফুল, শেষবার যখন তুমি
আমায় আলিঙ্গন করেছিলে গায়ের মেঠো পথ ধরে-
তারপর কতদিন পেড়িয়ে গেছে-
ভালোবাসার স্পর্শ আর কোনদিন পায়নি এ ভবঘুরে পথিক
আমার হতাশাগুলো, যন্ত্রণা কিংবা আমার বিপরীতে চলা সময়ের পথে-
কতবার হোঁচট খেয়েছি, রক্তাক্ত হয়েছি
তারপর আবারও উঠে দাঁড়িয়েছি-
প্রিয় ঘাসফুল, তুমিই ছিলে আমার একমাত্রও প্রেরণা,
একমাত্র তুমিই ভালবাসতে আমায়
মানুষই দেবতা, কিন্তু মানুষ মানুষের দেবতা নয়;
প্রিয়ঘাস ফুল,
যখন তুমি মানুষের পদস্পর্শ কর তখন মানুষ হয় দেবতা,
কিন্তু মানুষ যখন তোমাকে মাড়িয়ে যায়- তখন কিভাবে তাকে দেবতা বলি?
দেবতার সন্ধান তাই পাইনি কোনদিন অথচ আমিই সেই পথিক



প্রিয় প্রজাপতি
রঙ্গিন ডানামেলে যখন তুমি ফুলে ফুলে উড়ে যাও,
আমার যে কি ভাললাগে দেখতে!
আমার সাদাকালো জীবনটা যদি তোমার ডানার উপর মেলে দিতে পারতাম
হয়ত আমার জীবনও রঙ্গিন হয়ে যেত ঠিক তোমার ডানার মত
মানুষের এই রঙের দুনিয়ায়
আমার সাদা কাল ধূসর জীবনটি বড়ই বেমানান
মানুষ চায় রংধনুর সপ্ত রঙ্গে- সেই সাথে রঙগুলোর একটির সাথে অন্যটির মিলিয়ে আরও কতশত রঙ-
চাওয়ার এ শেষ নেই-
একটি চাওয়া একটি রঙ; কতশত চাওয়া কতশত রঙ
অথচ লাল বেগুনি হলুদ সবুজ ... কিছুই নেই আমার,
পথিকের পথ হয় ধূসর- সাদা কালো
রঙ্গিন পথের যাত্রীরা কখনও হয়না পথিক, তারা পথচারি মাত্র
তোমার রঙ্গিন ডানার রঙ মাখিয়ে এই অচেনা পথিকের
কখনও বা ইচ্ছা জাগে একটু ভালবাসার কথা বলতে;
সুখের কথা না হোক, একটু দুঃখের কথা কাউকে শোনাতে-
প্রিয় প্রজাপতি তাদের সাথে-
বিদায় নিয়ে একে একে চলে গেছে যারা সবাই



প্রিয় ঘাসফুল এবং প্রজাপতি
আমি দেবতার সন্ধান করে পাড়ি দিয়েছি কত শত হাজার মাইল,
কিন্তু দেবতার সন্ধান পাইনি
আবার ওবলছি-
তোমাদের মাড়িয়ে যে চলে যায়, তাকে কিভাবে দেবতা বলি?
তবে আমি একজন পথিক হতে পেরেছি, একজন ভবঘুরে পথিক
আমার পদচিহ্ন আমি রেখে গেলাম তোমাদের ডানায় ডানায়
নতুন দিনের কোন নতুন পথিক-
তাকে আমার মত করে কোন দেবতা খুঁজে বের করতে হবে না,
দেবতার সন্ধান সে পেয়ে যাবে-
তোমাদের ডানায়, তোমাদের ঘাসের শিশির বিন্দু কণায়-
আমার সে পদচিহ্ন দেখে দেখে
যারা আমাকে ছেড়ে চলে গেছে, তাই আজ তারা থাক-
তারা থাক তাদের সবকিছু নিয়ে
আজ তোমাদের নিয়েই লিখলাম প্রিয় ঘাসফুল এবং প্রজাপতি
তোমরা ভাল থেক


(রচনাকালঃ ২০১৩, রিয়াদ)

মাঝখানে অট্ট্রালিকার বিশাল প্রাচীর।


মাঝখানে অট্ট্রালিকার বিশাল প্রাচীর
দু পাশে দুটো জীবন।
অনাবিল সেই সময়গুলোর মধুরতায়
পৃথিবীর বুকে খরার মাঝে
হঠাৎ ঝড়ে পরা অবিশ্রান্ত জলধারা।
দুই জীবনের একই লহমার একই বন্ধনে
শরতের নদীপাড়ে- তীরে কাশফুলের
অনাবিল সৈন্দর্যের মাঝে সৃষ্টির সুখ
দুই জীবনের সৃষ্টির সুখ
দুই জীবনের সৃষ্ট ভালোবাসা।

সময়ের নিভৃত বিরহ বেদনায়
সৃষ্টির সত্তাকে বিসর্জন কিংবা
অভিমানী নীল দর্পণের অশান্ত আলোকে
আজকের এই নিষ্ঠুর অন্তপ্রানের গাহন
দুই ভূবনে দুইটি জীবনের
তিলে তিলে গড়া অপমৃত্যু।

মানুষের গড়া নিষ্ঠুর সমাজের
অসামাজিক অন্যায় হস্তক্ষেপের শানিত ধারে
প্রতিবাদের দুটো অনাবিল বিসর্জন
সমাজের সেই অন্ধচক্ষুর অন্ধ আস্ফালন-
চির শায়িত দুটো বাসস্থল-
মাঝখানে অট্ট্রালিকার বিশাল প্রাচীর।

(২০০২)

একটি ভালবাসার জন্য ...





রুপালী রোদ্দুর।
সীমাহীন ভালোলাগার বেলা অবেলায়
পথিক চলছে অজানাহীন গন্তব্যে।
আজকের এই সময়ে এসে মনে পড়ে যায়-
দুঃখ ব্যাথার অবগুননে ভরা সেই দিনগুলি- অতীত।
পৃথিবীর সেই সময়ে- নষ্ট সময়ে
নষ্ট হয়ে যাওয়া সেই মানুষগুলো
এখন কি ‘পিছন ফিরে’ ডাকছে আমায়?
দীর্ঘশ্বাস ফেলে পথিক।
হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়েছে সে।
পড়ন্ত বিকেল।
গাংচিল উড়ে চলছে আপন কোন গন্তব্যে
ইউক্যালিপটাসের আকাশ ছোঁয়া মাথাগুলি
প্রস্তুতি নিচ্ছে দিবাসন কে বিদায় জানাবার।
নির্জন-অসীম রাস্তা ধরে পথিক চলছে আপন পথে।

একটা সূরের প্রচণ্ড আবেশে
থেমে যায় পথিকের চলার গতি।
আপন মনে হেঁটে চলে সে
প্রায় ধংসস্তূপ হয়ে যাওয়া একটি রাজপ্রসাদের উদ্দেশ্যে।
হঠাৎ থেমে যায় মোহময়ী সেই সূরের আবেশ
জং ধরা- ঘুণে খাওয়া শত বছরের পুরনো
একটি কারুকার্যময় দরজার সামনে দাড়ায় পথিক।
এখান থেকেই ভেসে এসেছিল
একটা শূন্যতা ভরা গানের সূর।

দরজার ওপাশে প্রবেশ করে পথিক।
কালের সাক্ষী হয়ে আছে রুমের পুরনো নষ্ট সব আসবাব।
দেয়ালের ঠিক মাঝখানে
রুগ্ন দড়ির কঠিন বন্ধনে
ঝুলছে শতছিদ্র পোশাকের বিবর্ণ এক কঙ্কাল-
একটি রমণীর মৃতদেহ।

দীর্ঘশ্বাস ফেলে পথিক।
হায়-
একটি ভালবাসার  জন্য এভাবেই না
কত ফুল ঝড়ে গেছে পৃথিবীর বুক থেকে।


(২০০২) 

শেষ বেলায়

No comments :
আমার ঘরের কোনে পর্দা ঘেরা ছোট্ট একটি জানালা।
জানালা খুললেই প্রসারিত দিগন্ত
আর রক্তিম আভার একখণ্ড আকাশ।

আজ দু সপ্তাহ যাবৎ বিছানায় পড়ে আছি।
জগতের সমস্ত জনকোলাহল ছিন্ন করে
অব্যাক্ত বেদনা, চাওয়া-পাওয়াকে ছুটি দিয়ে
বাহিরের সবকিছু থেকে বঞ্ছিত এক রুমে
শুয়ে মৃত্যুর দুয়ার পদক্ষিনের অপেক্ষায়
আলিঙ্গন করছি শেষ বেলার সাথে।
বাবা মার সেই হাস্যজ্বল মুখ
কতদিন হয়ে গেল- এখন আর দেখতে পাই না।
আমার যে কি হয়েছে- কিচ্ছু জানি না, কিচ্ছু বুঝি না
বুঝতেও চাই না।

প্রতিশোধ নিয়েছি-

তোমার সুখের দিনগুলিতে
অংশীদার দাওনি আমায়।
আমি ব্যাথা পেয়েছি-
অভিমান করেছি-
প্রতিশোধ নিয়েছি-
আমার দুঃখের দিনগুলিতে অংশিদারিত্ব না দিয়ে তোমায়।

অর্থহীন এই বেঁচে থাকা

No comments :
হায় জীবন!
খনিকের মোহমহিতায় ভরা
ভূল, বিরোধ বিচ্ছেদের এক
অবারিত ধূলোময় দুঃস্বপ্ন যেন
প্রভাত সূর্যের আমন্ত্রনের সাথে
যার আগমন হয় এই ধরণীতলে।
সন্ধালগ্নে সে ঝরে যায়
ক্ষণিক সময়ের কোন পুষ্পের মত।
মাঝখানে শুধু থেকে যায়
অনেকটা সময়- অনেকটা প্রবাহ।

বিষের মোহময়িতা



পথ ভূলে আমি আজ
ভূল পথে কিংবা দিগন্তের শেষ সমীরণে
হেঁটে চলেছি নিঃসঙ্গতায় একা।
কত দিন, কত রাত; কত মাস বৎসরের হিসাব পেড়িয়ে
বন্ধুর পথে চলছি আমি।
আমার এ পথ চলার কোন শেষ নেই।
আর গন্ত্যব্য? হ্যাঁ, গন্ত্যব্য আছে
দিগন্ত যেখানে ভূমির সাথে মিশেছে-
সেখানেই আমার যাত্রার সমাপ্তি।


শহর-গ্রাম-লোকালয়- ভূমি পেড়িয়ে
একবার উপস্থিত হয়েছিলাম এক মরুদ্যানে।
বালুকাবেলায় সূর্যের স্বর্ণাভার ‘পরে
আকাশ ছোঁয়া সবুজ প্রকৃতিরাজ বেষ্টিত
এক স্বপ্নিল মায়াভিরাম সেই মরুদ্যান।
স্বর্ণাভার আলিঙ্গন ছাড়িয়ে স্বপ্নিল দৃষ্টিতে
অদ্ভুত দর্শন একটি বৃক্ষরাজির নিচে বসলাম।
বৃক্ষরাজি তার সমস্ত ভালোবাসার পরশ দিয়ে
আমাকে নিয়ে গেল এক সপ্নীল রাজ্যে।
যেখানে এক রাজকন্যার হাত ধরে
আমি চলছি সূর্যের শেষ আভার পিছু পিছু।

যখন নয়ন মেলে তাকালাম
তখন তৃষ্ণায় আমার ছাতি ফেটে যাচ্ছে।
আমার সামনে এক বিশাল জলধারা
যেখানে জলের উপর ঝিলমিল খেলা করছে।
জলধারার পাশে সমস্ত মরুদ্যানে
একটি মাত্র গোলাপ বৃক্ষে
একটি মাত্র রক্তাভ পুস্প ফুটে আছে।
অপূর্ব সেই মোহময়ী পুষ্পের হাতছানি
ব্যাকুল করে তুলল আমাকে।
গোলাপটি আমার চাইই চাই-
আমার জীবনের বিনিময়ে হলেও।
মরুদ্যানের শেষ সীমায় এক বিশাল অট্রালিকা
সেখান থেকে বিশাল দর্শন এক দানব
আমার সামনে এসে দাঁড়ালো।
আমি দানবের দিকে অনেকটা ভয়, অনেকটা করুনার দৃষ্টিতে তাকালাম।
দানব বলল-
‘ হে পথিক! তোমার মনের সব আমি অবগত।
কিন্তু তুমি দুটো জিনিস এক সাথে চাইতে পার না,
যে কোন একটি চাইতে হবে তোমাকে।
বল, কি চাই তোমার ?
এই পুস্পকধারার জল, নাকি ওই রক্তাভ একমাত্র গোলাপটি?
বল পথিক-
না হয় একটু চিন্তা করেই বল কোনটা চাই তোমার’।
আমি তৎক্ষণাৎ উত্তর দিলাম-
‘হে দৈত্যরাজ! আমি ওই জল চাই না।
জল পেলে হয়তবা আমি প্রানে রক্ষা পাব,
কিন্তু আমি আমার বহুদিনের লালিত স্বপ্ন
রক্তাভ ঐ গোলাপটি-
সামান্য  জলের বিনিময়ে পারবনা হারাতে।
না হয় ওই পুষ্পের কোলে মাথা রেখে
চলে যাব মৃত্যুর রাজ্যে’।
দৈত্যরাজ সামান্য বিচলিত হয়ে বলল-
‘পথিক ! তুমি কি ঠিক ভেবে বলছ এ কথা?
না হয় তুমি আরও এক বার ভাবো’।
আমি বললাম-
‘ হে দৈত্যরাজ! আমি ওই পুষ্পটিই চাই’।
‘ হে মূর্খ পথিক! তবে তাই হোক।
কিন্তু সাবধান। ঘূর্ণাক্ষরেও আর তাকাবে না জলের দিকে।
যদি আমার আদেশ অমান্য কর তবে-
তোমার ওই মস্তক দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে
নিক্ষেপ করব জলধারায়।‘

দানব তার অট্রালিকায় চলে গেলে
আমি পা বাড়ালাম রক্তাভ পুষ্পটির উদ্দেশ্যে।
এখানে পাথরতুল্য শক্ত মিত্রিকা মৃত্তিকা।
সেখানে হোঁচট খেয়ে বারবার পড়ে যাচ্ছি
আবার উঠে চলছি দ্বিগুণ উৎসাহে।
এত দিনের লালিত স্বপ্ন আজ পূরণ হওয়ার পথে।
অবশেষে পুস্প বৃক্ষের নিকট পৌছালাম।
দূরদর্শনে গোলাপটি যত মোহময়ী ছিল, কাছে এলে দেখি আরও বেশি।
গভীর আবেগে ভালোবাসায়
গোলাপটিকে আমি স্পর্শ করতে চাইলাম; ছুঁয়ে দেখতে চাইলাম একটু
কিন্তু ছলনাময়ী গোলাপটি তার কাঁটার আঘাতে আমাকে রক্তাক্ত করে তুলল।
আমার শিরা-উপশিরায়, ধমনীতে-
বয়ে চলল তার বিষের নীল স্রোত।
একসময় আমি বেহুশ হয়ে
মুখ থুবড়ে পড়ে রইলাম তার পায়ের কাছে।

যখন হুশ হল
তখন আবিষ্কার করলাম
মরুভূমির বুকে রক্তাক্ত দেহ নিয়ে হেঁটে চলছি আমি।
আমার সামনে সোনালী দিগন্ত
দিগন্তের সেই মহময় হাতছানি...
তারপর আমি হেঁটেই চলছি, চলছি-
স্বপ্নীল দিগন্ত সমীরণের যাত্রায়।


(২০০০)